জিজ্ঞাসা

জিজ্ঞাসা - ক্ষেতখামার

আমাকে জিজ্ঞেস করুন।

আপনাদের জিজ্ঞাসা ঃ-

ক্ষেত খামার সম্পর্কিত ছোটখাট বিষয়েই জানতে এই পাতায় নজর রাখুন। এখানে উদাহরন হিসাবে কিছু দিয়ে শুরু করলাম। বিশেষভাবে যুব প্রশিক্ষন কেন্দ্রে শিক্ষার্থিদের উৎসাহিত অংশগ্রহন আশা করিতেছি।
ধন্যবাদ।

মৎস
আই.ইউ. – ইন্টারন্যশনাল ইউনিট
আই.ইউ. বা ইন্টারন্যশনাল ইউনিট মাপ ঝোকের একটি একক। মাছে ঔষধ, বিষ, খাবার প্রায় সকল ক্ষেত্রেই মাপ ঝোকের দরকার পড়ে। এক্ষেত্রে বেশিরভাগই লিটার/কেজি ইত্যাদের পাশাপাশি এই আই.ইউ. এককের ব্যবহার হয়। আমরা বিষ প্রয়োগের মাত্রার অঙ্কে এর বায়বহারিক হিসাব শিখব
প্লাঙ্কটন
– ফাইটপ্লাঙ্কটন বা উদ্ভিদ কনা।
– জু-প্লাঙ্কটন বা প্রানী কনা।
– পকুর থেকে নেয়া এক গ্লাস পানিতে যদি ১০/১২ টির কম পোকা দেখা যায় তাহলে বুঝতে হবে পানিতে খাদ্য কম আছে। এবং যদি ২০ টির বেশি দেখা যায় তাহলে বুঝতে হবে যে খাদ্য বেশি আছে।
PH নিয়ে যত কথা
– PH এর মাত্রা ১-১৪ পর্যন্ত হয়।
– PH এর মাত্রা ৭ এর কম হলে এসিডিয় পানি।
– PH এর মাত্রা ৭ হলে নিরপেক্ষ
– PH এর মাত্রা ৭ এর বেশি হলে ক্ষারীয়।
– চুন দিয়ে পিএইচ বাড়ানো হয়। আবার জিপশাম সার ব্যবহার করে পিএইচ কমানো যায়। শতাংশ প্রতি ১কেজি হারে দিতে হবে।
– সজনের ডাল (ক্ষারীয়) দিয়ে চুন এর কাজ করা যায় অর্থাৎ পিএইচ বাড়ান যায়।
– তেতুলের ডাল (এসিডিয়) ফেলে রেখে জিপশাম সার এর কাজ করা যায় অর্থাৎ পিএইচ কমান যায়।
দৈনিক খাদ্য
– দৈনিক খাদ্যের পরিমান নির্নয় = (মোট দৈহিক ওজন X খাদ্য প্রয়োগের হার) বিস্তারিত খাদ্য প্রয়োগের হার এখানে দেখুন।
– ছোট পোনার খাদ্য গ্রহনের হার বেশি মাছ বড় হওয়ার সাথে সাথে খাবার গ্রহনের হার কমে যাবে।
– পোনা মাছের খাদ্যে আমিষের পরিমান বাড়িয়ে দিতে হবে এবং শর্করার পরিমান কম হবে।
– কৈ, মাগুর শিং, পাঙ্গাস ইত্যাদি মাছের খাদ্যে আমিষ বেশি হতে হবে।
গবাদি পশু
চাঁট গেঁয়ে লাল সিন্ধী
আমাদের দেশের একামত্র গরুর জাত যা আন্ততর্জাতিক ভাবে এই নামে “চাঁট গেঁয়ে লাল সিন্ধী” স্বীকৃত। পৃথিবীর বেশিরভাগ গরুরু জাতের নামই সেই অঞ্চলের নামে রাখা হয়েছে।
ইউএমএস খাওয়ানোর সাবধানতাঃ
  1. বয়স ১ বছরের কম হলে গরুকে কোন ভাবেই ইউরিয়া খাওয়ান যাবে না।
  2. অসুস্থ গরুকে ইউরিয়া খাওয়ানো যায় না।
  3. সরাসরি অথবা পানিচতে গুলে খাওয়ায়ান যাবে না।
  4. ইউরিয়া খাওয়ানর কম পক্ষে আধা ঘন্টা পর পর্যাপ্ত পানি খাওয়ানো যাবে না।
  5. এরপর ঠান্ডা পানি বেশি পরিমানে খাওয়াতে হবে।
  6. পশুকে প্রতিদিন একবার গোসোল করতে হবে।
সবুজ খাবার
– স্প্লিনডিডা ঘাস বপনের ১৫ দিনের মধ্যেই কাটার উপযুক্ত হয়।
– কাউপি ও তাড়াতাড়ি ব্যাবহার যোগ্য উৎপাদনে আসে।
– ইপিল ইপিল পাতা গরু ও ছাগলের জন্য খুবই উপাদেয় খাবার।
খাবারে সতর্কতা
  • বৃষ্টির পর বা বর্ষার পরে অপরিপক্ক ঘাস খাওয়ানো যাবে না।
  • ঘাসকে ধুয়ে, পানি ঝরিয়ে শুকিয়ে তারপর ওজন করতে হবে।
  • গরুকে খড় ভিজেয়ে খাওয়াতে হবে। খাওয়ানোর আগে অন্তত ১-১.৫ ঘন্টা ভিজেয়ে রাখতে হবে।
কৃষি
গাছের খাদ্য উপাদান / মাটির উপাদান
  • নাইট্রোজেন
  • ফসফরাস
  • পটাসিয়াম
  • ক্যালসিয়াম
  • কার্বন
সব্জি সংগ্রহের…
সব্জি সংগ্রহের উপযুক্ত সময় সুর্য ওঠার আগে
ছত্রাক জনিত…
ছত্রাক জনিত রোগে ডাইথেন এম-৪৫ পানিতে মিশিয়ে (১ লিঃ পানিতে ১ কর্ক) স্প্রে করতে হয়।
ট্যাশিং…
টব বা পলি ব্যাগের চারার শিকড় কেটে বেশি বড় হয়ে যাওয়া রোধ করাকে ট্যাশিং বলে।
হাঁস – মুরগী পালন
আপাতত কিছু নেই
… … … …
পশু পাখির প্রাথমিক চিকিৎসা
মাছির পোকা
মাছির পোকা ব্যক্টেরিয়া জনিত কারনে হয়ে থাকে।
ভ্যাকসিন প্রয়োগে সতর্কতা
ভাইরাস জনীত রোগের জন্য সুস্থ অবস্থায় ভ্যাকসিন প্রয়োগ করে রখতে হবে।
সালফার ড্রাগ
– FMD বা ক্ষুরা রোগে কখনো সালফার ড্রাগ দিয়ে চিকিৎসা করা যাবে না।
– ডায়ারিয়া এর ক্ষেত্রে অবশ্যই সালফার ড্রাগ দিয়ে চিকিৎসা করতে হবে।
– সালফার ড্রাগ দারা চিকিৎসা করলে পশুকে বেশি বেশি পানি খাওয়াতে হবে। তবে শ্বাস কষ্ট দেখা দিলে চিকিৎসা বন্ধ রাখতে হবে।
– ব্যক্টেরিয়া জনিত রোগে সালফার ড্রাগ দ্রুত ও কার্যকরী।
এন্টিবায়োটিক ইঞ্জেকশান
– এন্টিবায়োটিক ইজেকশান সাধারনত সবসময় মাংশে দিতে হয়।
– ভাইরাস জনীত রোগে এন্টিবায়োটিক জাতীয় ঔষধ প্রয়োগ করতে হয়।
ব্রড স্পেক্ট্রাম
অভিজ্ঞ ভাইদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি। ইচ্ছা করলে সরাসরি নিজেই রেজিস্টার করে আমদের এখানে “পশু পাখির প্রাথমিক চিকিৎসা” শ্রেনীতে আপনার লিখা পোস্ট করতে পারেন। অথবা মেইল করেও ওয়ার্ড ফাইল পাঠাতে পারেন। আমার আপনার নামেই প্রকাশ করব। – ধন্যবাদ
গ্রাম পজেটিভ ব্যক্টিরিয়া
অভিজ্ঞ ভাইদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি। ইচ্ছা করলে সরাসরি নিজেই রেজিস্টার করে আমদের এখানে “পশু পাখির প্রাথমিক চিকিৎসা” শ্রেনীতে আপনার লিখা পোস্ট করতে পারেন। অথবা মেইল করেও ওয়ার্ড ফাইল পাঠাতে পারেন। আমার আপনার নামেই প্রকাশ করব। – ধন্যবাদ
গ্রাম নেগেটীভ বায়ক্টেরিয়া
অভিজ্ঞ ভাইদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি। ইচ্ছা করলে সরাসরি নিজেই রেজিস্টার করে আমদের এখানে “পশু পাখির প্রাথমিক চিকিৎসা” শ্রেনীতে আপনার লিখা পোস্ট করতে পারেন। অথবা মেইল করেও ওয়ার্ড ফাইল পাঠাতে পারেন। আমার আপনার নামেই প্রকাশ করব। – ধন্যবাদ
গবাদি পশুর সাধারন স্বাস্থ্য বিষয়
মাল্টি ভিটামিন জাতীয় ঔষোধ, কৃমির ঔষধ, ওলান ফোলা, ক্যালসিয়াম জাতীয় ঔষধ, এন্টিবায়োটিক সেফট্রিয়াক্সোন।
ঔষধ খাওয়ানোর সাবধানতা
কখন শিড়দাড়া এর উপরে গরুর মাথা উঠিয়ে খাবার/ঔষধ খাওয়ান যাবে না। তাতে ঔষধ শ্বাস নালীতে ঢুকে শ্বাস নালী বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
রোগের লক্ষন
প্রত্যেকটি রোগের একটি প্রথম ও প্রধান লক্ষন থাকে। কিছু কিছু লক্ষন আছে সাধারন প্রায় সব রোগের ক্ষেত্রেই দেখা যায়, এগুলো দেখেই চিকিৎসা শুরু করে যাবে ন।
গাভির হিট পিরিয়ড
গাভির হিট পিরিয়ড ২৪ ঘন্টা। প্রথম ০-(৮-১২) ২য় (১২-১৮) ৩য় (১৯-২৪) ঘন্টা। প্রথম ১২ ঘন্টা, মাঝখানের ৬ ঘন্টা ও শেষের ৬ ঘন্টা। মাঝের ৬ঘন্টা সবচেয়ে উপযুক্ত। আমাদের দেশের আবহাওয়া সাধারনত বিকাল ৪টা ৫টার দিকে পাল দেওয়ার উপযুক্ত সময়।
কোরবানীর প্রস্তুতি
দির্ঘ পথ হাটার কারনে বা গাড়িতে দাঁড়িয়ে থাকার কারনে পশু ক্লান্ত বা রোগাক্রান্ত হতে পারে। তাই বাজারে নেয়ার আগে মাংশ পেশি অথবা চামড়ার নিচে প্রতি ১০০ কেজি দৈহিক ওজনের জন্য রেনামিসিন এল.এ. ১০ মিলিঃ করে দিতে পারেন। এর মেয়াদ ৩-৫ দিন পর্যন্ত।